( ২ এপ্রিল ২০২৬ )বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের বাজারে বিরাজমান অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) দৃঢ় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে যাতে সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় টহল, তল্লাশি এবং গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে তেল পাচার ঠেকাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ০৭টিসহ মোট ২৯টি বিওপি ও ০৫টি বিশেষ ক্যাম্প থেকে নিয়মিত ও অতিরিক্ত বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া চোরাকারবারীরা যাতে বোতল ও জারকিন ব্যবহার করে পেট্রোল ও অকটেন পাচার করতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে সীমান্তজুড়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জ্বালানি পাচার রোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা সম্ভব। তাই কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি সংক্রান্ত সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা গেলে দ্রুত বিজিবিকে জানাতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।




















