Dhaka ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

বিজয়নগরে সোনাই নদীর পাড় কেটে অবাধে মাটি বিক্রি, ভূমি খেকোদের কবলে কৃষিজমি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের বুধন্তি গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত সোনাই নদীর তট কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গার মাটি এক্সকাভেটর দিয়ে কেটে এক ডজন ট্রাক্টরে করে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের জানান, ২০২০–২১ অর্থবছরে শত কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাই নদী খনন করা হয়। খননকৃত মাটি নদীর দুই পাড়ে নদীর জায়গাতেই রাখা হয়। নদী খননের ফলে বর্ষাকালে পানি উপচে পড়লেও ফসলের ক্ষতি কমে, যা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও টানাহেঁচড়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

কিন্তু একশ্রেণীর দুর্বৃত্ত নদীর তট কেটে সেই মাটি বিক্রি করে ব্যক্তিগত মোটা অংকের লাভবান হচ্ছে, এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার কৃষকরা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর জায়গার মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এতে নদী ভরাটের ঝুঁকি বাড়ছে; অল্প পানিতেই নদী উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালীরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন কৃষকরা।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় সুস্থ ব্যক্তিরা তুলছেন প্রতিবন্ধী ভাতা

এলাকাবাসীর দাবি, পার্শ্ববর্তী গ্রাম কেনার হেবজু মিয়ার ছেলে বাবরু মিয়া ও তার লোকজন এ কাজে জড়িত।
এ বিষয়ে বাবরু মিয়া বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার তাকে ম্যাপে জায়গাটি নিজস্ব দেখিয়েছেন, তাই তিনি মাটি কাটছেন।
তবে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মনসুর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে জায়গা ম্যাপে দেননি কিংবা মাটি কাটার অনুমতি দেননি—এ বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আরও পড়ুনঃ  তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল :

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

বিজয়নগরে সোনাই নদীর পাড় কেটে অবাধে মাটি বিক্রি, ভূমি খেকোদের কবলে কৃষিজমি।

আপডেটের সময়: ০৯:১২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের বুধন্তি গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত সোনাই নদীর তট কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গার মাটি এক্সকাভেটর দিয়ে কেটে এক ডজন ট্রাক্টরে করে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের জানান, ২০২০–২১ অর্থবছরে শত কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাই নদী খনন করা হয়। খননকৃত মাটি নদীর দুই পাড়ে নদীর জায়গাতেই রাখা হয়। নদী খননের ফলে বর্ষাকালে পানি উপচে পড়লেও ফসলের ক্ষতি কমে, যা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

আরও পড়ুনঃ  কাশিয়ানীতে র‌্যাব সদস্যের দাপটে অসহায় ১০ পরিবার

কিন্তু একশ্রেণীর দুর্বৃত্ত নদীর তট কেটে সেই মাটি বিক্রি করে ব্যক্তিগত মোটা অংকের লাভবান হচ্ছে, এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার কৃষকরা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর জায়গার মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এতে নদী ভরাটের ঝুঁকি বাড়ছে; অল্প পানিতেই নদী উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালীরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন কৃষকরা।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন

এলাকাবাসীর দাবি, পার্শ্ববর্তী গ্রাম কেনার হেবজু মিয়ার ছেলে বাবরু মিয়া ও তার লোকজন এ কাজে জড়িত।
এ বিষয়ে বাবরু মিয়া বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার তাকে ম্যাপে জায়গাটি নিজস্ব দেখিয়েছেন, তাই তিনি মাটি কাটছেন।
তবে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মনসুর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে জায়গা ম্যাপে দেননি কিংবা মাটি কাটার অনুমতি দেননি—এ বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আরও পড়ুনঃ  তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল :

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।