Dhaka ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শিশু নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা অভিযুক্ত আটক ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব। গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে এলেন ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার ফেন্সিডিল-ইয়াবা ও অস্ত্রসহ টিপু আটক জোড়া অভিযান: বিপুল পরিমাণ চোরাই তেল ও স্ক্র্যাপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২। নিজের ভুলেই কোতোয়ালি থানার সামনে আটক ফুলপুরের আ’লীগ নেতা নওগাঁর মান্দায় খাল পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন

বিজয়নগরে সোনাই নদীর পাড় কেটে অবাধে মাটি বিক্রি, ভূমি খেকোদের কবলে কৃষিজমি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের বুধন্তি গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত সোনাই নদীর তট কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গার মাটি এক্সকাভেটর দিয়ে কেটে এক ডজন ট্রাক্টরে করে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের জানান, ২০২০–২১ অর্থবছরে শত কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাই নদী খনন করা হয়। খননকৃত মাটি নদীর দুই পাড়ে নদীর জায়গাতেই রাখা হয়। নদী খননের ফলে বর্ষাকালে পানি উপচে পড়লেও ফসলের ক্ষতি কমে, যা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

আরও পড়ুনঃ  শিশু নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা অভিযুক্ত আটক

কিন্তু একশ্রেণীর দুর্বৃত্ত নদীর তট কেটে সেই মাটি বিক্রি করে ব্যক্তিগত মোটা অংকের লাভবান হচ্ছে, এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার কৃষকরা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর জায়গার মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এতে নদী ভরাটের ঝুঁকি বাড়ছে; অল্প পানিতেই নদী উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালীরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন কৃষকরা।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে বাংলা টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা

এলাকাবাসীর দাবি, পার্শ্ববর্তী গ্রাম কেনার হেবজু মিয়ার ছেলে বাবরু মিয়া ও তার লোকজন এ কাজে জড়িত।
এ বিষয়ে বাবরু মিয়া বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার তাকে ম্যাপে জায়গাটি নিজস্ব দেখিয়েছেন, তাই তিনি মাটি কাটছেন।
তবে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মনসুর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে জায়গা ম্যাপে দেননি কিংবা মাটি কাটার অনুমতি দেননি—এ বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আরও পড়ুনঃ  এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শিশু নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা অভিযুক্ত আটক

বিজয়নগরে সোনাই নদীর পাড় কেটে অবাধে মাটি বিক্রি, ভূমি খেকোদের কবলে কৃষিজমি।

আপডেটের সময়: ০৯:১২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের বুধন্তি গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত সোনাই নদীর তট কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গার মাটি এক্সকাভেটর দিয়ে কেটে এক ডজন ট্রাক্টরে করে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের জানান, ২০২০–২১ অর্থবছরে শত কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাই নদী খনন করা হয়। খননকৃত মাটি নদীর দুই পাড়ে নদীর জায়গাতেই রাখা হয়। নদী খননের ফলে বর্ষাকালে পানি উপচে পড়লেও ফসলের ক্ষতি কমে, যা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

আরও পড়ুনঃ  এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব।

কিন্তু একশ্রেণীর দুর্বৃত্ত নদীর তট কেটে সেই মাটি বিক্রি করে ব্যক্তিগত মোটা অংকের লাভবান হচ্ছে, এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার কৃষকরা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর জায়গার মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এতে নদী ভরাটের ঝুঁকি বাড়ছে; অল্প পানিতেই নদী উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালীরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন কৃষকরা।

আরও পড়ুনঃ  বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশের অভিযোগ

এলাকাবাসীর দাবি, পার্শ্ববর্তী গ্রাম কেনার হেবজু মিয়ার ছেলে বাবরু মিয়া ও তার লোকজন এ কাজে জড়িত।
এ বিষয়ে বাবরু মিয়া বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার তাকে ম্যাপে জায়গাটি নিজস্ব দেখিয়েছেন, তাই তিনি মাটি কাটছেন।
তবে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মনসুর আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে জায়গা ম্যাপে দেননি কিংবা মাটি কাটার অনুমতি দেননি—এ বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে বাংলা টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।