Dhaka ০৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় মাদক ও চুরি রোধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ- সদর ওসি যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খুলনায় তরুণীসহ আটক সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব) মান্দায় আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ সাধারণ যাত্রীর নিরাপত্তা কোথায়? বাসের ছাদে কাঁচামাল পরিবহনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি

মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি

 

যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণনগর এলাকায় অবস্থিত মাক্কীনুর হাফেজী মাদ্রাসায় এক আবাসিক ছাত্রকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখারও অভিযোগ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী আরমান আহমেদ (১৪) কৃষ্ণনগর গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে। সে গত তিন বছর ধরে মাদ্রাসাটির আবাসিক ছাত্র হিসেবে অধ্যয়ন করছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

আরমানের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাউকে না জানিয়ে মাদ্রাসার বাইরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষক হাফেজ ইসলামুল হক তাকে বারান্দায় নিয়ে বেত দিয়ে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে বেত ভেঙে গেলে তিনি আরেকটি বেত এনে পুনরায় প্রহার করেন। এ সময় রুমে থাকা আরেক ছাত্র আশিককে তাকে ধরে রাখতে বলা হয়। আশিক তাকে পিঠমোড়া করে ধরে রাখলে শিক্ষক আরও মারধর করেন।

আরমান দাবি করে, মারধরের সময় শিক্ষক তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “চাকরি না থাকলে না থাকবে, প্রয়োজনে জেলে যাব, তবুও তোকে মেরেই ফেলব।” পরে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়। প্রচণ্ড মারধরের কারণে তার জ্বর এলেও কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার তিন দিন পর বিষয়টি জানতে পেরে আরমানের বাবা ও মামা মাদ্রাসা থেকে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ ইসলামুল হকের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে পরে কথা বলবেন বলে জানান। এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, যথাযথ তদারকি ও নীতিমালার অভাবে অনেক স্থানে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জনপ্রিয় পোস্ট

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি

আপডেটের সময়: ০৬:৫০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

মাদ্রাসা ছাত্রকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি

 

যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণনগর এলাকায় অবস্থিত মাক্কীনুর হাফেজী মাদ্রাসায় এক আবাসিক ছাত্রকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখারও অভিযোগ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী আরমান আহমেদ (১৪) কৃষ্ণনগর গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে। সে গত তিন বছর ধরে মাদ্রাসাটির আবাসিক ছাত্র হিসেবে অধ্যয়ন করছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

আরমানের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাউকে না জানিয়ে মাদ্রাসার বাইরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষক হাফেজ ইসলামুল হক তাকে বারান্দায় নিয়ে বেত দিয়ে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে বেত ভেঙে গেলে তিনি আরেকটি বেত এনে পুনরায় প্রহার করেন। এ সময় রুমে থাকা আরেক ছাত্র আশিককে তাকে ধরে রাখতে বলা হয়। আশিক তাকে পিঠমোড়া করে ধরে রাখলে শিক্ষক আরও মারধর করেন।

আরমান দাবি করে, মারধরের সময় শিক্ষক তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “চাকরি না থাকলে না থাকবে, প্রয়োজনে জেলে যাব, তবুও তোকে মেরেই ফেলব।” পরে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়। প্রচণ্ড মারধরের কারণে তার জ্বর এলেও কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার তিন দিন পর বিষয়টি জানতে পেরে আরমানের বাবা ও মামা মাদ্রাসা থেকে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ ইসলামুল হকের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে পরে কথা বলবেন বলে জানান। এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, যথাযথ তদারকি ও নীতিমালার অভাবে অনেক স্থানে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।