Dhaka ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নদীতে ডুবে একই পরিবারের ৩ নারীর মৃত্যু কুমিরের আক্রমণে সন্তান হারানো মায়ের পাশে প্রশাসন। লক্ষ্মীপুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত ঘাতক গণপিটুনিতে নিহত আইএমইআই পরিবর্তনের মেশিন ও ল্যাপটপসহ ১৫৭টি মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ সৈয়দপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নিয়ে অভিযোগ ওঠেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন ৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় কাতারের আসিম মাদিবো! আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’। রামগঞ্জে মেহেদী হত্যা মামলার আরো এক আসামী গ্রেফতার নবীজীকে নিয়ে কটুক্তি তাহিরপুরে এক হিন্দু যুবক আটক।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচার ও বক্তব্য বিকৃতির’ অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল, সাতক্ষীরা জেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় শহরের নিউমার্কেট মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি,

পৌর ওলামা দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামু, সদস্য সচিব একরামুল হোসেন মিলন, পৌর বিএনপি নেতা কাজী মিয়ারাজ, জেলা তাঁতি দলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহজালাল এবং শ্যামনগর উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের একটি বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে একটি রাজনৈতিক মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেন, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে তাকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা ওই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  বিআরটিএ’র উদ্যোগে সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে ৪৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

বক্তারা আরও বলেন, জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চলছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে বিএনপি, ওলামা দল এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক সভায় জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সেই বক্তব্যের এক প্রসঙ্গে ‘ধর্মান্ধতা’ শব্দ ব্যবহার করেন জেলা প্রশাসক।

‘ধর্মান্ধতা’ শব্দ ব্যবহারের জের ধরে ২৪ জুন বিকেলে জেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ’ ও ‘বাংলাদেশ মজলিসুন মুফাসসিরীন’ নামের দুটি সংগঠনের ব্যানারে শতাধিক মুসল্লি সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আলাউদ্দিন চত্বর (নিউমার্কেট মোড়) এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল বারী অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা জেলার মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় ক্রীড়া সংস্থার মতবিনিময় সভা

জেলা প্রশাসক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হয়েও একটি খেলার অনুষ্ঠানে কেন এমন মন্তব্য করলেন, তা বোধগম্য নয়। অন্যান্য বক্তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে তার বক্তব্য প্রত্যাহারের সময় দেন।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৪ জুন বুধবার বিকেলে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলা প্রশাসক ‘ধর্মান্ধ’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

বরং খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকা-ের প্রসারের গুরুত্ব তুলে ধরতেই তিনি এই মন্তব্য করেন। বক্তব্যের আংশিক ও বিকৃত উপস্থাপনার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। জেলা বিএনপি এ ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সবাইকে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানায়।

পাশাপাশি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটির এক সভায় তিনি নিজেই বলেছিলেন যে, অন্ধকারাচ্ছন্ন সাতক্ষীরা থেকে মুক্তি পেতে হলে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন, ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে বিকশিত করতে হবে। ওই অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সভাপতিত্ব করলেও সেখানে বিতর্কিত কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

নদীতে ডুবে একই পরিবারের ৩ নারীর মৃত্যু

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচার ও বক্তব্য বিকৃতির’ অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল, সাতক্ষীরা জেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় শহরের নিউমার্কেট মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি,

পৌর ওলামা দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামু, সদস্য সচিব একরামুল হোসেন মিলন, পৌর বিএনপি নেতা কাজী মিয়ারাজ, জেলা তাঁতি দলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহজালাল এবং শ্যামনগর উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের একটি বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে একটি রাজনৈতিক মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেন, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে তাকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা ওই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  পিতার ইমামতিতে শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীর দাফন সম্পন্ন।

বক্তারা আরও বলেন, জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চলছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে বিএনপি, ওলামা দল এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক সভায় জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সেই বক্তব্যের এক প্রসঙ্গে ‘ধর্মান্ধতা’ শব্দ ব্যবহার করেন জেলা প্রশাসক।

‘ধর্মান্ধতা’ শব্দ ব্যবহারের জের ধরে ২৪ জুন বিকেলে জেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ’ ও ‘বাংলাদেশ মজলিসুন মুফাসসিরীন’ নামের দুটি সংগঠনের ব্যানারে শতাধিক মুসল্লি সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আলাউদ্দিন চত্বর (নিউমার্কেট মোড়) এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল বারী অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা জেলার মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুনঃ  বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি: সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগী

জেলা প্রশাসক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হয়েও একটি খেলার অনুষ্ঠানে কেন এমন মন্তব্য করলেন, তা বোধগম্য নয়। অন্যান্য বক্তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে তার বক্তব্য প্রত্যাহারের সময় দেন।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৪ জুন বুধবার বিকেলে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলা প্রশাসক ‘ধর্মান্ধ’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি।

আরও পড়ুনঃ  তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ঘর ভেঙ্গে পানিতে

বরং খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকা-ের প্রসারের গুরুত্ব তুলে ধরতেই তিনি এই মন্তব্য করেন। বক্তব্যের আংশিক ও বিকৃত উপস্থাপনার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। জেলা বিএনপি এ ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সবাইকে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানায়।

পাশাপাশি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটির এক সভায় তিনি নিজেই বলেছিলেন যে, অন্ধকারাচ্ছন্ন সাতক্ষীরা থেকে মুক্তি পেতে হলে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন, ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে বিকশিত করতে হবে। ওই অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সভাপতিত্ব করলেও সেখানে বিতর্কিত কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।