Dhaka ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ

পুলিশ ও সাধারণ জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে গঠিতক ও পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে। পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ গঠন সম্ভব।

কমিউনিটি পুলিশিং হলো একটি আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা, যেখানে পুলিশ ও জনগণ একসাথে কাজ করে অপরাধ প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করে। এই ব্যবস্থায় পুলিশ কেবল আইন প্রয়োগকারী নয়, বরং জনগণের বন্ধু, সহায়ক ও সেবক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় সুস্থ ব্যক্তিরা তুলছেন প্রতিবন্ধী ভাতা

কমিউনিটি পুলিশিং ধারণার উৎপত্তি ঘটে ১৮২৯ সালে ইংল্যান্ডে। আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার জনক স্যার রবার্ট পিলের দর্শন— “Police are the public and the public are the police”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই জনগণের অংশগ্রহণমূলক পুলিশিং ব্যবস্থার সূচনা হয়। পরবর্তীতে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে এই ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয় পরীক্ষামূলকভাবে ২০০৮–২০০৯ সালে। পরবর্তীতে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বর্তমানে জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণ যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  শারীরিক অসুস্থতার দেখিয়ে টুঙ্গিপাড়া আওয়ামীলীগ নেতার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

যদিও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই, তবে বাংলাদেশের সংবিধানের ২১, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদসহ Police Act 1861 এবং Police Regulations of Bengal-এর আলোকে জনগণের অংশগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুযোগ রয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগেই প্রতিরোধ, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, নারী ও শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আরও পড়ুনঃ  সুলতানপুর বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা সংশোধন করে নির্বাচনের দাবি

একটি সমাজ তখনই নিরাপদ হয় যখন জনগণ পুলিশের পাশে থাকে এবং পুলিশ জনগণের কথা শোনে। পুলিশ ও জনগণের ঐক্যই পারে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। তাই আসুন পুলিশকে সাহায্য করি।মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ি। লেখকঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, একজন আইনজীবী,মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক। মোবাঃ 01711-075251।

জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ

আপডেটের সময়: ০৬:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পুলিশ ও সাধারণ জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে গঠিতক ও পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে। পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ গঠন সম্ভব।

কমিউনিটি পুলিশিং হলো একটি আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা, যেখানে পুলিশ ও জনগণ একসাথে কাজ করে অপরাধ প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করে। এই ব্যবস্থায় পুলিশ কেবল আইন প্রয়োগকারী নয়, বরং জনগণের বন্ধু, সহায়ক ও সেবক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  শার্শা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আসাদুল গ্রেফতার

কমিউনিটি পুলিশিং ধারণার উৎপত্তি ঘটে ১৮২৯ সালে ইংল্যান্ডে। আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার জনক স্যার রবার্ট পিলের দর্শন— “Police are the public and the public are the police”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই জনগণের অংশগ্রহণমূলক পুলিশিং ব্যবস্থার সূচনা হয়। পরবর্তীতে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে এই ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয় পরীক্ষামূলকভাবে ২০০৮–২০০৯ সালে। পরবর্তীতে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বর্তমানে জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণ যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বচ্ছলতার স্বপ্নে প্রবাসে পাড়ি, মাটিচাপায় নিভে গেল শরিফুলের প্রাণ

যদিও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই, তবে বাংলাদেশের সংবিধানের ২১, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদসহ Police Act 1861 এবং Police Regulations of Bengal-এর আলোকে জনগণের অংশগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুযোগ রয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগেই প্রতিরোধ, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, নারী ও শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আরও পড়ুনঃ  শারীরিক অসুস্থতার দেখিয়ে টুঙ্গিপাড়া আওয়ামীলীগ নেতার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

একটি সমাজ তখনই নিরাপদ হয় যখন জনগণ পুলিশের পাশে থাকে এবং পুলিশ জনগণের কথা শোনে। পুলিশ ও জনগণের ঐক্যই পারে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। তাই আসুন পুলিশকে সাহায্য করি।মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ি। লেখকঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, একজন আইনজীবী,মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক। মোবাঃ 01711-075251।