Dhaka ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রামগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা ওবায়েদুল হকের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ কে একটি আধুনিক রামগঞ্জ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এম পি সন্তানকে নিয়ে বাঁচতে চান একরামুল, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্বামী নিহত, স্ত্রী হাসপাতালে বেনাপোলে ৪৩ বোতল বিদেশি মদসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক শ্যামনগর বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের অবহেলায় তিন দিনের এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

নবজাতকের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বেলা তিনটার দিকে লংগদু উপজেলার ভাসান্যদম ইউনিয়নের ঘনমোড় শীলকাটা ছড়া এলাকা থেকে অসুস্থ নবজাতককে দ্রুত লংগদু সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

আরও পড়ুনঃ  শয়তানের নিঃশ্বাস" আতঙ্কে পুলিশ সুপারের বরাবর এলাকাবাসীর আবেদন

শিশুটির বাবা আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রেফারের পর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রত্ন বিকাশ চাকমা নির্ধারিত ভাড়া ১ হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে দরকষাকষির পর ১ হাজার ৫০০ টাকায় রাজি হলেও যাত্রাপথে ড্রাইভারের আচরণ ছিল অমানবিক। তিনি বলেন, ভাঙা রাস্তায় গাড়ির গতি বাড়িয়ে এবং ভালো রাস্তায় ধীরগতিতে চালিয়ে আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

আরিফুল ইসলাম আরও জানান, খাগড়াছড়ি পৌঁছানোর পর একটি প্রাইভেট হাসপাতালের পাশে অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে ড্রাইভার হঠাৎ নবজাতকের মুখ থেকে অক্সিজেন সাপোর্ট খুলে ফেলেন। এতে অক্সিজেনের অভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে ড্রাইভার ভাড়া নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা ‘বিশু গ্যাং’ প্রধান গ্রেপ্তার

তিনি বলেন, আমার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে অবহেলার কারণে। আমি এর বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো পরিবার এ ধরনের ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রত্ন বিকাশ চাকমা বলেন, নবজাতকের মা নিজেই অক্সিজেন খুলে ফেলেছেন। আমি শুধু বকশিস হিসেবে কিছু অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিলাম। অন্য সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

এ বিষয়ে লংগদু সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত জাহান নওরীন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিন্নাত আলম বর্তমানে রাঙ্গামাটিতে প্রশিক্ষণে আছেন।
তিনি ফিরে এলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৪:৫৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের অবহেলায় তিন দিনের এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

নবজাতকের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বেলা তিনটার দিকে লংগদু উপজেলার ভাসান্যদম ইউনিয়নের ঘনমোড় শীলকাটা ছড়া এলাকা থেকে অসুস্থ নবজাতককে দ্রুত লংগদু সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে স্বর্ণের দোকানে লকার ভেঙে সোনা-রুপা ও নগদ টাকা চুরি

শিশুটির বাবা আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রেফারের পর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রত্ন বিকাশ চাকমা নির্ধারিত ভাড়া ১ হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে দরকষাকষির পর ১ হাজার ৫০০ টাকায় রাজি হলেও যাত্রাপথে ড্রাইভারের আচরণ ছিল অমানবিক। তিনি বলেন, ভাঙা রাস্তায় গাড়ির গতি বাড়িয়ে এবং ভালো রাস্তায় ধীরগতিতে চালিয়ে আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

আরিফুল ইসলাম আরও জানান, খাগড়াছড়ি পৌঁছানোর পর একটি প্রাইভেট হাসপাতালের পাশে অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে ড্রাইভার হঠাৎ নবজাতকের মুখ থেকে অক্সিজেন সাপোর্ট খুলে ফেলেন। এতে অক্সিজেনের অভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে ড্রাইভার ভাড়া নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুনঃ  সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান মিলন নামের এক অসহায় পিতা

তিনি বলেন, আমার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে অবহেলার কারণে। আমি এর বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো পরিবার এ ধরনের ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রত্ন বিকাশ চাকমা বলেন, নবজাতকের মা নিজেই অক্সিজেন খুলে ফেলেছেন। আমি শুধু বকশিস হিসেবে কিছু অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিলাম। অন্য সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

আরও পড়ুনঃ  নলতায় প্রাইম ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

এ বিষয়ে লংগদু সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত জাহান নওরীন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিন্নাত আলম বর্তমানে রাঙ্গামাটিতে প্রশিক্ষণে আছেন।
তিনি ফিরে এলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।