Dhaka ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাটকেলঘাটায় মামলা চলমান থাকতেই বসতভিটা ভাঙচুর- উচ্ছেদের অভিযোগ

পাটকেলঘাটায় মামলা চলমান থাকতেই বসতভিটা ভাঙচুর- উচ্ছেদের অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের উত্তর শার্শা গ্রামে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় একটি পরিবারকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক
আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারটি বর্তমানে অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও একটি পরিবারের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। ভুক্তভোগী উত্তর শার্শা গ্রামের চা- দোকানদার জিয়ারুল ইসলাম ন্যায়বিচারের দাবিতে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সম্প্রতি সরেজমিনে গেলেছিল জিয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে তার চাচাতো ভাই মোস্তফা গাজীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা দেওয়ানি আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার নম্বর- ১২৫/২৫।

আরও পড়ুনঃ  ডিবি পুলিশের অভিযানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২ নেতা আটক

জিয়ারুল ইসলামের দাবি, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় তার চাচাতো ভাই মোস্তফা গাজী তার বসতবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন। তিনি বলেন, “আমার সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিয়ারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই পৈতৃক ভিটায় বসবাস করে আসছিলেন। অভিযুক্ত নবালি গাজীর ছেলে মোস্তফা গাজী ওই বসতভিটার মালিকানা দাবি করলে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

আরও পড়ুনঃ  পূর্ব বিরোধের জেরে চর ঈশ্বরদিয়ায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: গ্রেফতার ৪

অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে রাতের আঁধারে জিয়ারুল ইসলামের বসতবাড়ি ভাঙচুর করে তাকে ও তার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। এরপর থেকে তিনি পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।

অভিযুক্ত মোস্তাফা গাজীর কাছে এ বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে, তিনি বলেন জিয়ারুলের পিতা বাবর আলী আমার ছোট কাকা, জিয়ারুল ছোট বেলা থেকে কাশিপুর তার মায়ের সাথে মামার বাড়ীতে থাকতো সেখানে পারিবারিক কলহের কারণে, ঘরবাড়ি রেখে আশ্রয় চাই , তখন আমি আমার বাড়িতে তাকে থাকতে দেয়।পরে সে ও ঘর তার বাবার বলে দাবি করে কোর্টে মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  নবীননগরে গভীর রাতে চুরি করতে গিয়ে দুই যুবক আটক মুচলেকা দিয়ে মুক্তি

ভুক্তভোগী জিয়ারুল ইসলামের প্রশ্ন, “আদালত কি আমাকে আমার বসতবাড়ি ফিরিয়ে দিতে পারবে? নাকি পরিবার নিয়ে এভাবেই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

পাটকেলঘাটায় মামলা চলমান থাকতেই বসতভিটা ভাঙচুর- উচ্ছেদের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৯:১০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পাটকেলঘাটায় মামলা চলমান থাকতেই বসতভিটা ভাঙচুর- উচ্ছেদের অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের উত্তর শার্শা গ্রামে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় একটি পরিবারকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক
আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারটি বর্তমানে অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও একটি পরিবারের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। ভুক্তভোগী উত্তর শার্শা গ্রামের চা- দোকানদার জিয়ারুল ইসলাম ন্যায়বিচারের দাবিতে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সম্প্রতি সরেজমিনে গেলেছিল জিয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে তার চাচাতো ভাই মোস্তফা গাজীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা দেওয়ানি আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার নম্বর- ১২৫/২৫।

আরও পড়ুনঃ  আন্তজার্তিক পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মঞ্চ সংগঠনের সমাবেশ

জিয়ারুল ইসলামের দাবি, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় তার চাচাতো ভাই মোস্তফা গাজী তার বসতবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন। তিনি বলেন, “আমার সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিয়ারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই পৈতৃক ভিটায় বসবাস করে আসছিলেন। অভিযুক্ত নবালি গাজীর ছেলে মোস্তফা গাজী ওই বসতভিটার মালিকানা দাবি করলে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

আরও পড়ুনঃ  সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার পরেও মাদক- সেবিদের আড্ডা

অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে রাতের আঁধারে জিয়ারুল ইসলামের বসতবাড়ি ভাঙচুর করে তাকে ও তার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। এরপর থেকে তিনি পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।

অভিযুক্ত মোস্তাফা গাজীর কাছে এ বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে, তিনি বলেন জিয়ারুলের পিতা বাবর আলী আমার ছোট কাকা, জিয়ারুল ছোট বেলা থেকে কাশিপুর তার মায়ের সাথে মামার বাড়ীতে থাকতো সেখানে পারিবারিক কলহের কারণে, ঘরবাড়ি রেখে আশ্রয় চাই , তখন আমি আমার বাড়িতে তাকে থাকতে দেয়।পরে সে ও ঘর তার বাবার বলে দাবি করে কোর্টে মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  যশোর সীমান্তে মাদকদ্রব্য ও অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ

ভুক্তভোগী জিয়ারুল ইসলামের প্রশ্ন, “আদালত কি আমাকে আমার বসতবাড়ি ফিরিয়ে দিতে পারবে? নাকি পরিবার নিয়ে এভাবেই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।