Dhaka ১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছায় ভ্যানচালক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় এক ভ্যানচালককে হত্যা করে মরদেহ কলাবাগানে ফেলে রাখার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপরজন আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ জানুয়ারি সকালে ঝিকরগাছা থানাধীন ০২ নম্বর মাগুরা ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া নাইলপুকুর সংলগ্ন একটি কলাবাগান থেকে শামীম পারভেজ (২১) নামের এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামীম পারভেজ কীর্ত্তিপুর (হাওয়ার মোড়) এলাকার বাসিন্দা এবং পিতা মোঃ হায়াতুল ইসলাম। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন এবং কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক

পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহতের গলায় তার ও লুঙ্গি পেঁচানো ছিল এবং মরদেহটি শুকনো ঘাস দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানার এসআই (নিঃ) পলাশ দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

এ ঘটনায় নিহতের মাতা পারুল (৪৯) বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই (নিঃ) হুসাইন আহমেদ।

তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ গত ৩১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে শ্রীরামপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইব্রাহিম খলিল (২১) কে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ মামুন (১২) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় মাদক সেবনের অভিযোগে যুবক আটক

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে ইব্রাহিম খলিলের বসতবাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব পাশে রান্নাঘরের পেছনে খড়ের গাদার পাশ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় নিহতের ব্যাটারিচালিত ভ্যান উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ভ্যানটি জব্দ করে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

ঝিকরগাছায় ভ্যানচালক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

আপডেটের সময়: ০৬:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় এক ভ্যানচালককে হত্যা করে মরদেহ কলাবাগানে ফেলে রাখার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপরজন আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ জানুয়ারি সকালে ঝিকরগাছা থানাধীন ০২ নম্বর মাগুরা ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া নাইলপুকুর সংলগ্ন একটি কলাবাগান থেকে শামীম পারভেজ (২১) নামের এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামীম পারভেজ কীর্ত্তিপুর (হাওয়ার মোড়) এলাকার বাসিন্দা এবং পিতা মোঃ হায়াতুল ইসলাম। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন এবং কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে কনসার্টে "শেখ হাসিনা" স্লোগান. আয়োজক পিয়াল গ্রেফতার

পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহতের গলায় তার ও লুঙ্গি পেঁচানো ছিল এবং মরদেহটি শুকনো ঘাস দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানার এসআই (নিঃ) পলাশ দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের নানা ভাই বাহিনীর ১২ ডাকাতের আত্মসমর্পণ

এ ঘটনায় নিহতের মাতা পারুল (৪৯) বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই (নিঃ) হুসাইন আহমেদ।

তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ গত ৩১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে শ্রীরামপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইব্রাহিম খলিল (২১) কে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ মামুন (১২) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ: কেটে ফেলা হলো ১৮৬টি পেঁপে গাছ ও শশার বান, ক্ষতি ৩ লাখ টাকা

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে ইব্রাহিম খলিলের বসতবাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব পাশে রান্নাঘরের পেছনে খড়ের গাদার পাশ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় নিহতের ব্যাটারিচালিত ভ্যান উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ভ্যানটি জব্দ করে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।