যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের নিশ্চিন্দপুর গ্রামে সরকারি আইন উপেক্ষা করে কৃষিজমি থেকে অবাধে মাটি খননের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি ইটভাটা এই মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে মাটি কাটা চললেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নিশ্চিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলীর জমি থেকে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ হাত গভীর করে মাটি খনন করা হচ্ছে। খনন করা মাটি ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে সরাসরি ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এতে পাশের আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়কগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এভাবে গভীর গর্ত করে মাটি কাটার ফলে যেকোনো সময় সড়ক ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলাতেও যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাটিবাহী ট্রাক ও ট্রলি। এর ফলে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
এছাড়া ঝিকরগাছার বাঁকড়া বাজার এলাকায় প্রতিদিন ইফতারের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ইটভাটার মাটিবাহী ট্রাক ও ট্রলি বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সড়কে ধুলাবালি ছড়িয়ে পড়ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, গতকালও নিশ্চিন্দপুর গ্রামের ওই স্থানে সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ চলতে দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ইটভাটার অফিস কক্ষে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলেও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করে কৃষিজমি ও সড়ক রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




















