Dhaka ১০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে ‘ত্রিমুখী’ বাধা।

.
নেপথ্যে ড. ইউনূস, জামায়াত ও সেনাবাহিনীর একাংশ—অভিযোগ বিএনপির

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন চরম শারীরিক সংকটে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিএনপি এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের দাবি—শুধু আইনি বাধা নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি অংশের আপত্তির কারণেই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মূল অভিযোগগুলো—
ড. ইউনূসের অনীহা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তার অজুহাত তুলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা আপাতত ঠেকিয়ে রাখতে চাইছেন।
জামায়াত ও সেনাবাহিনীর বিরোধিতা: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারেক রহমানের ফেরার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
‘মাইনাস ফর্মুলা’র পুনরুত্থান: গোয়েন্দা তথ্যে নাকি ইঙ্গিত মিলেছে—তারেক রহমানকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পুরনো প্রচেষ্টা নতুন করে সক্রিয় হয়েছে।
সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ: সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এখনই তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত—এমন ধারণা প্রভাবশালী মহলে রয়েছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে সহানুভূতির কথা বললেও আড়ালে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঠেকানো হচ্ছে একটি সুগঠিত রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে। গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক সূত্রের দাবি—নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বললেও এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা, যাতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে ক্ষমতার সমীকরণে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।
এদিকে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যেও তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে আপত্তি রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর ভেতরেও একই মতের একটি শক্ত প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করলেও তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি এখন আর তার একার সিদ্ধান্তে নির্ভর করছে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ ও সরকারের অবস্থানের কারণে তার দেশে ফেরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানবিকতার প্রশ্নে নয়—এক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে কঠোর রাজনৈতিক কৌশল, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সুরমা দর্পণ ডেস্ক :

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে এমপি রবিউল বাশার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে ‘ত্রিমুখী’ বাধা।

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

.
নেপথ্যে ড. ইউনূস, জামায়াত ও সেনাবাহিনীর একাংশ—অভিযোগ বিএনপির

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন চরম শারীরিক সংকটে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিএনপি এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের দাবি—শুধু আইনি বাধা নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি অংশের আপত্তির কারণেই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মূল অভিযোগগুলো—
ড. ইউনূসের অনীহা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তার অজুহাত তুলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা আপাতত ঠেকিয়ে রাখতে চাইছেন।
জামায়াত ও সেনাবাহিনীর বিরোধিতা: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারেক রহমানের ফেরার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
‘মাইনাস ফর্মুলা’র পুনরুত্থান: গোয়েন্দা তথ্যে নাকি ইঙ্গিত মিলেছে—তারেক রহমানকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পুরনো প্রচেষ্টা নতুন করে সক্রিয় হয়েছে।
সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ: সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এখনই তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত—এমন ধারণা প্রভাবশালী মহলে রয়েছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে সহানুভূতির কথা বললেও আড়ালে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঠেকানো হচ্ছে একটি সুগঠিত রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে। গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক সূত্রের দাবি—নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বললেও এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা, যাতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে ক্ষমতার সমীকরণে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।
এদিকে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যেও তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে আপত্তি রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর ভেতরেও একই মতের একটি শক্ত প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করলেও তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি এখন আর তার একার সিদ্ধান্তে নির্ভর করছে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ ও সরকারের অবস্থানের কারণে তার দেশে ফেরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানবিকতার প্রশ্নে নয়—এক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে কঠোর রাজনৈতিক কৌশল, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সুরমা দর্পণ ডেস্ক :

আরও পড়ুনঃ  বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল