Dhaka ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাটকেলঘাটায় গণহত্যা দিবস ১৯৭১-এর নির্মম হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৭৯ জন।

পাটকেলঘাটায় গণহত্যা দিবস ১৯৭১-এর নির্মম হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৭৯ জন।

 

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা অঞ্চলে ২৩ এপ্রিল ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসররা (পুটিয়াখালি, পারকুমিরা ও আশপাশের এলাকা) পরিকল্পিতভাবে নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা চালায়।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন বিজয়নগরের নাদিয়া পাঠান পাপন

ঐ দিনটি ছিল বাংলা ৯ বৈশাখ, শুক্রবার। হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হয়। মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের সেখান থেকেই ধরে আনা হয়। একইভাবে পারকুমিরা এলাকায় আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদেরও পাকবাহিনী ধরে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  মন্দির ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, আহত ৩

পরে পারকুমিরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে অস্থায়ী বধ্যভূমিতে তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিতে বহু মানুষ প্রাণ হারান। শুধু হত্যাকাণ্ডেই থেমে থাকেনি বর্বরতা—গ্রামজুড়ে অগ্নিসংযোগ করে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই নৃশংস গণহত্যায় মোট ৭৯ জন শহীদ হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন সম্পন্ন, অনুপস্থিত ১৩

আজকের এই দিনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ স্মরণ করছে সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা।

জনপ্রিয় পোস্ট

পাটকেলঘাটায় গণহত্যা দিবস ১৯৭১-এর নির্মম হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৭৯ জন।

আপডেটের সময়: ০৭:১২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাটকেলঘাটায় গণহত্যা দিবস ১৯৭১-এর নির্মম হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৭৯ জন।

 

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা অঞ্চলে ২৩ এপ্রিল ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসররা (পুটিয়াখালি, পারকুমিরা ও আশপাশের এলাকা) পরিকল্পিতভাবে নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা চালায়।

আরও পড়ুনঃ  মব সৃষ্টির মাধ্যমে অধ্যাপিকার বাড়ি দখলের অভিযোগ

ঐ দিনটি ছিল বাংলা ৯ বৈশাখ, শুক্রবার। হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হয়। মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের সেখান থেকেই ধরে আনা হয়। একইভাবে পারকুমিরা এলাকায় আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদেরও পাকবাহিনী ধরে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  মন্দির ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, আহত ৩

পরে পারকুমিরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে অস্থায়ী বধ্যভূমিতে তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিতে বহু মানুষ প্রাণ হারান। শুধু হত্যাকাণ্ডেই থেমে থাকেনি বর্বরতা—গ্রামজুড়ে অগ্নিসংযোগ করে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই নৃশংস গণহত্যায় মোট ৭৯ জন শহীদ হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় প্রায় ১.৮ লাখ শিশু আসছে হাম রুবেলার টিকার আওতায়

আজকের এই দিনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ স্মরণ করছে সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা।