Dhaka ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী।

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

 

রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ১নং রামহরি মৌজায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে আবারও তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের তিনটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ স্থানে বসতঘর সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার কোমরপুর প্রাইমারী স্কুলের দপ্তরী ছয় মাস ধরে শিক্ষা অফিসে সংযুক্ত

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিস্তার পূর্ব তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কাজের ধীরগতির কারণে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  স্কুল ছাত্র মেহেদী হত্যা মামলায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহ দুই আসামী গ্রেপ্তার

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কুমিরের আক্রমণে সন্তান হারানো মায়ের পাশে প্রশাসন।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম বলেন, ভাঙনরোধে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী।

আপডেটের সময়: ০৮:১৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

 

রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ১নং রামহরি মৌজায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে আবারও তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের তিনটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ স্থানে বসতঘর সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত ঘাতক গণপিটুনিতে নিহত

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিস্তার পূর্ব তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কাজের ধীরগতির কারণে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পবিত্র মাদ্রাসার বড় হুজুর পদের আড়ালে চলছিল অনৈতিক লম্পটতা

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  নদীতে ডুবে একই পরিবারের ৩ নারীর মৃত্যু

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম বলেন, ভাঙনরোধে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।