Dhaka ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী।

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

 

রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ১নং রামহরি মৌজায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে আবারও তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের তিনটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ স্থানে বসতঘর সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, নিহত ১ :

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিস্তার পূর্ব তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কাজের ধীরগতির কারণে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জের যুবকের প্রেমে টানে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুণী মহারাজপুরে

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রাম জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম বলেন, ভাঙনরোধে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী।

আপডেটের সময়: ০৮:১৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

আবারও তিস্তার ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

 

রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ১নং রামহরি মৌজায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে আবারও তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের তিনটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ স্থানে বসতঘর সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জের যুবকের প্রেমে টানে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুণী মহারাজপুরে

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিস্তার পূর্ব তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কাজের ধীরগতির কারণে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  টুঙ্গিপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরে বিএনপির নির্বাচনী মতবিনিময় সভা

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম বলেন, ভাঙনরোধে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।