নওগাঁয় প্রায় কোটি টাকার সম্পত্তি প্রতারণা করে লিখে নেওয়ার অভিযোগ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি প্রতারণা করে মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকায় লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলহাজ্ব ইরফান আলী বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় নিয়ামতপুর উপজেলার বনগাঁপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের দুই ছেলে আনিসুর ও ইমতিয়াজ আহমেদকে আসামি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার ২৯ জেল ছুটিপুর মৌজায় ১০.৫ শতক জমি সরকারি ভিত্তি মূল্য ঠিক থাকলেও উক্ত জমিতে স্থায়ী স্থাপনা থাকলেও তা গোপন করে সরকারের সঙ্গে প্রতারণা করে উৎস কর ফাঁকি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করে নেয় হান্নানের ছেলে আনিছুর ও ইমতিয়াজ।
ভুক্তভোগী এরফান আলী আরো জানান, গুলজার হোসেন বিশ্বাসের নিকট হতে দলিল ও রেকর্ড মূলে গত ১৫/০৩/১৯৯২ সালে ১৬৫৭ নং দলিল মূলে কবলা করে নিজ নামে খাজনা খারিজ করে ভোগ দখল করে আসতেছি। এখান থেকে ১০.৫ শতাংশ জমি আমার সন্তান মিরাজ আলীকে আমমুক্তার দলিল করে দিই। আমার ছেলে মিরাজ উক্ত জমিতে একটি স্থায়ী স্থাপনা (মার্কেট) নির্মাণ করেন ভোগ দখল করে আসছে।
সে মার্কেটে বিবাদী আনিসুর এবং ইমতিয়াজ ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। এমত অবস্থায় গত ২৩/৬/২০২২ ইং আমার ছেলেকে ভুলভাল বুঝিয়ে নেশা গ্রস্ত করে প্রতারণা করে প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকায় রেজিস্ট্রি করে নেয়। এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে মিরাজ আলী জানান, আমার মার্কেটের ভাড়াটিয়া আনিসুর ও ইমতিয়াজ নিশা ভাং ও কালো জাদু করে মস্তিষ্ক বিকৃতি করে আমার কাছ থেকে উক্ত সম্পত্তি প্রতারণা করে স্বাক্ষর করে নেই। শুধু তাই নয় তারা আমার কাছে ৪০ লক্ষ টাকার ধার নিয়ে পরিশোধ না করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। সে মামলায় তারা জেল হাজত খেটেছেন। তারা প্রতারক আমি তাদের শাস্তি চাই।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আনিসুর রহমান বলেন, আমরা জমি নিয়ম অনুযায়ী কবলা করেছি। আমরা কোন প্রতারণার পথ অবলম্বন করিনি। আদালতে মামলা রয়েছে আদালত যে সিদ্ধান্ত দিবে তা আমরা মেনে নেব। এর বাইরে আমরা কোন কথা বলতে পারব না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
নওগাঁয় প্রায় কোটি টাকার সম্পত্তি প্রতারণা করে লিখে নেওয়ার অভিযোগ






















