Dhaka ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

আলোহীন ব্রীজ,বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা।

বাদিয়াখালীতে আলোহীন ব্রীজ , বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা।

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালীতে আলাই নদের উপর নির্মিত ব্রীজটি উদ্বোধনের পর থেকে আজও আলোহীন পড়ে আছে। ৬ টি ল্যাম্পপোস্ট বসানোর কথা থাকলেও হইনি বসানো । ফলে রাত নামলেই ব্রীজটি পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। বাড়ছে দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা।

আরও পড়ুনঃ  এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাদিয়াখালী থেকে ফুলছড়ি প্রবেশমুখের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে সাঘাটা, ফুলছড়িসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতশত যানবাহন ও পথচারী প্রতিদিন যাতায়াত করে। সন্ধ্যা ঘনালেই চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। ব্রীজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ভাঙন ধরেছে। একাধিক স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অন্ধকারে এসব গর্ত চোখে পড়ে না। তাই প্রায়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুনঃ  স্কুল ফিডিংয়ে আবারও বিতর্ক: অর্ধসিদ্ধ ও বিষ্ঠাযুক্ত ডিম সরবরাহের অভিযোগ

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ব্রীজ হওয়ার পর থেকে একদিনও লাইট জ্বলতে দেখিনি। রাতে চলাচল করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকি। বৃদ্ধ ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে। আলো না থাকায় চুরি-ছিনতাইও বেড়ে গেছে”।

তারা অবিলম্বে ৬টি ল্যাম্পপোস্টে লাইট স্থাপন এবং ব্রীজের ভাঙা অংশ মেরামতের দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা শ্রমিক ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা রেজাউল ও মজনু বহিষ্কার

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কবে বাদিয়াখালী ব্রীজে আলো জ্বলবে, কবে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, সে উত্তর এখনও মেলেনি। সেটি এখন দেখার অপেক্ষায়।

খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আলোহীন ব্রীজ,বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা।

আপডেটের সময়: ০৯:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বাদিয়াখালীতে আলোহীন ব্রীজ , বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা।

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালীতে আলাই নদের উপর নির্মিত ব্রীজটি উদ্বোধনের পর থেকে আজও আলোহীন পড়ে আছে। ৬ টি ল্যাম্পপোস্ট বসানোর কথা থাকলেও হইনি বসানো । ফলে রাত নামলেই ব্রীজটি পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। বাড়ছে দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা।

আরও পড়ুনঃ  ত্রিশক্তি স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গিরাই গীতা শিক্ষা নিকেতন উদ্বোধন

সরেজমিনে দেখা যায়, বাদিয়াখালী থেকে ফুলছড়ি প্রবেশমুখের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে সাঘাটা, ফুলছড়িসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতশত যানবাহন ও পথচারী প্রতিদিন যাতায়াত করে। সন্ধ্যা ঘনালেই চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। ব্রীজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ভাঙন ধরেছে। একাধিক স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অন্ধকারে এসব গর্ত চোখে পড়ে না। তাই প্রায়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুনঃ  আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলারোয়ায় চলছে প্রভাবশালীদের ভবন নির্মাণ

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ব্রীজ হওয়ার পর থেকে একদিনও লাইট জ্বলতে দেখিনি। রাতে চলাচল করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকি। বৃদ্ধ ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে। আলো না থাকায় চুরি-ছিনতাইও বেড়ে গেছে”।

তারা অবিলম্বে ৬টি ল্যাম্পপোস্টে লাইট স্থাপন এবং ব্রীজের ভাঙা অংশ মেরামতের দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে জলবায়ু সহনশীল সভা

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কবে বাদিয়াখালী ব্রীজে আলো জ্বলবে, কবে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, সে উত্তর এখনও মেলেনি। সেটি এখন দেখার অপেক্ষায়।