কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: পচা গরুর মাংস বিক্রি করতে গিয়ে আটক ১, জরিমানা ও কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী বাজারে পচা গরুর মাংস বিক্রির ঘটনা ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় এক মাংস বিক্রেতাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করার পর প্রশাসনের এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ফুলবাড়ী বাজারে পচা গরুর মাংস বিক্রি করছিলেন ইকরামুল হক নামের এক কসাই। এ সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসাইন।
বিকাল ৫টায় শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন গোলাম মওদুদ আহমেদ ও ফুলবাড়ী থানা পুলিশের সদস্যরা। ভেটেরিনারি সার্জনের মাধ্যমে মাংস পরীক্ষা করে তা পচা ও খাওয়ার অনুপযোগী প্রমাণিত হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
পচা মাংস মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস
অভিযানকালে প্রায় ২০-২৫ কেজি পচা গরুর মাংস জব্দ করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভেটেরিনারি সার্জন ও পুলিশের উপস্থিতিতে বাজারের জনসম্মুখে সেই পচা মাংস মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় সেখানে উৎসুক জনতা ভিড় জমান এবং প্রশাসনের এই কঠোর ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে মাংস বিক্রেতা ইকরামুল হকের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মামলা দিয়ে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ইকরামুল হক উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসাইন বলেন, “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পচা মাংস বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা যেমন অর্থ উপার্জন করতে চায়, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”
ফুলবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, এ ধরনের অপরাধ রোধে বাজারে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হবে ।
পচা গরুর মাংস বিক্রি করতে গিয়ে আটক ১





















