Dhaka ০৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধান চায় নাগরিক কমিটি অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি অবৈধ গাঁজাসহ এক ব্যক্তি আটক  ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন সাত বছর পর বের হলো পারুল হত্যার রহস্য মাদকবিরোধী বার্তায় গোলাপগঞ্জে নারী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বীরগঞ্জে পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৫ নং বল্লম ঝাড় ইউনিয়ন মাদকবিরোধী মানববন্ধন প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ দাবি ইউএনও’র হস্তক্ষেপে ঝিকরগাছায় ‘সেবা’র তৎপরতায় পরিবারে ফিরছে ৭ বছরের শিশু সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার ফলোআপ.. রৌমারীতে নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানে

ময়মনসিংহে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ জেলার দাপুনিয়া এলাকায় অবস্থিত ডাঃ হাবিবুর রহমান আইটি স্কুল এন্ড কলেজ–এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশু ওমরের পা ভেঙে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে শিশুটি পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে তীব্র যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গত ২ মার্চ কোতোয়ালী মডেল থানা–য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে প্রভাবের আশঙ্কায় পরিবারটি শুরুতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে সাহস পায়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর শিশুটির হাসপাতালের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র রাস্তা আটকিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয়। একই সঙ্গে শিশুটির পিতাকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও পরিবারের দাবি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্কুলে ঢিল ছোড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে সামনে থাকা শিশুটিকে ধরে একটি ভ্যানগাড়িতে আছড়ে ফেলেন। এতে তার বাম পা ভেঙে যায়।

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তার কর্মস্থলে গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজ–এর অধ্যক্ষ মোঃ আরিফ সাহেবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। তিনি প্রতিবেদককে জানান, “আপনি ওনার সাথে কথা বলেন, আমার সাথে কথা বললে এটা আরও গোলযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৬১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯২ টিতেই প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য

ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষ শিশুর পা ভাঙার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, একটা বাড়ি দিছে, পা ভেঙে গেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, “শিশুটির দোষ না থাকলে কি এমনিতেই পা ভেঙেছে? এসময় তিনি বলেন, আমার রাগ কন্ট্রোল করতে পারিনি, বলে বিরক্তির সুরে ফোন রেখে দেন।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

শিক্ষাঙ্গনে এমন নির্মমতার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের দাবি, শিশুর ওপর হামলা, চিকিৎসার কাগজপত্র নষ্ট করা এবং অভিযোগকারীর পরিবারকে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  সাত বছর পর বের হলো পারুল হত্যার রহস্য

আরো পড়ুন

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ

 

ই-পেপার

জনপ্রিয় পোস্ট

জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধান চায় নাগরিক কমিটি

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ময়মনসিংহে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ জেলার দাপুনিয়া এলাকায় অবস্থিত ডাঃ হাবিবুর রহমান আইটি স্কুল এন্ড কলেজ–এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশু ওমরের পা ভেঙে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে শিশুটি পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে তীব্র যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গত ২ মার্চ কোতোয়ালী মডেল থানা–য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে প্রভাবের আশঙ্কায় পরিবারটি শুরুতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে সাহস পায়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর শিশুটির হাসপাতালের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র রাস্তা আটকিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয়। একই সঙ্গে শিশুটির পিতাকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও পরিবারের দাবি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্কুলে ঢিল ছোড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে সামনে থাকা শিশুটিকে ধরে একটি ভ্যানগাড়িতে আছড়ে ফেলেন। এতে তার বাম পা ভেঙে যায়।

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তার কর্মস্থলে গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজ–এর অধ্যক্ষ মোঃ আরিফ সাহেবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। তিনি প্রতিবেদককে জানান, “আপনি ওনার সাথে কথা বলেন, আমার সাথে কথা বললে এটা আরও গোলযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৬১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯২ টিতেই প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য

ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষ শিশুর পা ভাঙার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, একটা বাড়ি দিছে, পা ভেঙে গেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, “শিশুটির দোষ না থাকলে কি এমনিতেই পা ভেঙেছে? এসময় তিনি বলেন, আমার রাগ কন্ট্রোল করতে পারিনি, বলে বিরক্তির সুরে ফোন রেখে দেন।

আরও পড়ুনঃ  পাকশিয়া সম্মিলনী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের রজত জয়ন্তী উদযাপন

শিক্ষাঙ্গনে এমন নির্মমতার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের দাবি, শিশুর ওপর হামলা, চিকিৎসার কাগজপত্র নষ্ট করা এবং অভিযোগকারীর পরিবারকে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  বীরগঞ্জে পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

আরো পড়ুন

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ

 

ই-পেপার