শ্যামনগরে মিথ্যা ধর্ষনের চেষ্টা মামলার পায়তারা করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে আবু ইছা ও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষনের চেষ্টা মামলার পায়তারা করার প্রতিবাদে এলাবাসির মানববন্ধন ।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মাছুরা পারভীনের সভাপতিত্বে উপজেলার মুনসুর সরদারের গ্যারেজ বাজারে বৃহস্পতিবার (১১ জুন বিকাল ৫ টায়) ৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ এলাকাবাসী ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গাজী আজিজুল ইসলাম, আবাদচন্ডিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তফা আল মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মানববন্ধনে গত (৪ জুন ২০২৬ তারিখ) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছফিরন নামে এক নারী আবু ইছা ও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা করার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী। এর প্রতিবাদে স্থানীয় সাধারণ জনগণ মানববন্ধনের আয়োজন করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত বিরোধ ও প্রতিহিংসার জের ধরে নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে মিথ্যা মামলার শিকার না হন, সেদিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
মাছুরা পারভীন বলেন, কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ওই পারিবারিক কলহের জের ধরেই পরবর্তীতে ছফিরন বিবি শ্যামনগর থানায় একটি ধর্ষণের অভিযোগ করেন। তবে ইউপি সদস্য মাছুরা পারভীন অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
এঘটনার বিষয়ে আবাদচন্ডিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তফা আল মামুন বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ছফিরন বিবি ও তার স্বামী বিভিন্ন সময়ে এলাকার নিরীহ মানুষদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানি করে থাকেন বলে এলাকাবাসীর মধ্যে অভিযোগ রয়েছে।
তবে মানববন্ধনের বিষয়ে অভিযোগকারী ছফিরন বিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও তার স্বামী আব্দুল আজিজের সঙ্গে কথা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনায় কোন নির্দোষ ব্যক্তি জড়াবে না বলে দাবি করেন তিনি।



















