Dhaka ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের লুমিনাস ওয়ার্ল্ডের কৃষক সম্মেলন ভেজালমুক্ত কৃষি গড়ার অঙ্গীকার খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আলোহীন ব্রীজ,বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা। বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ জনের কারাদণ্ড কৃষিপণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ সড়কে ইট সলিংয়ের দাবি কালিগঞ্জে জলবায়ু সহনশীল সভা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন জেলা ক্রীড়া অফিসার অপসারণ দাবিতে অবেহিলত নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন প্রশিক্ষণ শেষে পাচ্ছেন ১৮ হাজার টাকা অনুদান; বাড়বে জীবনমান

কাজ শেষের আগেই ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার ব্রিজে ফাটল

কাজ শেষের আগেই ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার ব্রিজে ফাটল

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নির্মাণকাজ শেষ না হতেই ১ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজে ফাঁটল দেখা দিয়েছে । উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের তদারকি না থাকার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ জনগণ ।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এম এস এ এইচ ট্রেডার্স রামগঞ্জের কাওয়ালীডাঙ্গা নামক স্থানে ওয়াপদা খালের উপর গত ২০২৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর গার্ডার ব্রিজটির কাজ শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার মধ্যকাটিয়ায় রাস্তা যেন নর্দমা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

 

ওয়ার্ক অর্ডার মোতাবেক চলতি বছরের ১০ই মে ব্রিজটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
১৫ই জুন সোমবার সরজমিনে দেখা যায় ব্রিজটির নির্মাণকাজ এখনো চলমান রয়েছে। এমন অবস্থায় ব্রিজের পশ্চিম পাশের উত্তর এবং দক্ষিণ অংশের নিচে মূল পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। আর ওই ঠিকাদারের কর্মচারীগণ সিমেন্টের আস্তর দিয়ে ফাটল ঢেকে দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।

আরও পড়ুনঃ  আলোহীন ব্রীজ,বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা।

 

এ সময় স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, নির্মাণকাজ শেষ হলে ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষজন ও ভারী যানবাহন যাতায়াত করবে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ সঠিকভাবে করেনি।

আরও পড়ুনঃ  তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার অনুষ্ঠিত।

সংশিষ্ট দপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে তদারকি করতেও দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে রামগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, কার্য-সহকারী মো. সজীবের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তারা উভয়ে ব্রিজটি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বিশ্বাসের মোবাইলে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের

কাজ শেষের আগেই ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার ব্রিজে ফাটল

আপডেটের সময়: ০৭:১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

কাজ শেষের আগেই ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার ব্রিজে ফাটল

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নির্মাণকাজ শেষ না হতেই ১ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজে ফাঁটল দেখা দিয়েছে । উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের তদারকি না থাকার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ জনগণ ।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এম এস এ এইচ ট্রেডার্স রামগঞ্জের কাওয়ালীডাঙ্গা নামক স্থানে ওয়াপদা খালের উপর গত ২০২৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর গার্ডার ব্রিজটির কাজ শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তের হতদরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে বিজিবির মানবিক সহায়তা

 

ওয়ার্ক অর্ডার মোতাবেক চলতি বছরের ১০ই মে ব্রিজটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
১৫ই জুন সোমবার সরজমিনে দেখা যায় ব্রিজটির নির্মাণকাজ এখনো চলমান রয়েছে। এমন অবস্থায় ব্রিজের পশ্চিম পাশের উত্তর এবং দক্ষিণ অংশের নিচে মূল পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। আর ওই ঠিকাদারের কর্মচারীগণ সিমেন্টের আস্তর দিয়ে ফাটল ঢেকে দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ

 

এ সময় স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, নির্মাণকাজ শেষ হলে ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষজন ও ভারী যানবাহন যাতায়াত করবে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ সঠিকভাবে করেনি।

আরও পড়ুনঃ  ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর করুণ মৃত্যু

সংশিষ্ট দপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে তদারকি করতেও দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে রামগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, কার্য-সহকারী মো. সজীবের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তারা উভয়ে ব্রিজটি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বিশ্বাসের মোবাইলে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।