Dhaka ০৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

গাইবান্ধার সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান: পাইপলাইন ধ্বংস।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

​অভিযানের বিবরণ
​সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রী রতন কুমার দত্তের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের মূল অভিযুক্ত হাসানুর রহমান ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘটনাস্থল থেকে বালু উত্তোলনের বিপুল পরিমাণ পাইপ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেন্সিডিল জব্দ

​স্থানীয়দের ভোগান্তি
​দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে আসছিলেন যে, ত্রিমোহনী এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং পরিবেশগত বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

​অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত জানান:
​”অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত রাখা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  ঠাকুরগাঁওয়ে ঘোরার কথা বলে ডেকে নিয়ে কিশোরীকে ধ*র্ষ*ণ, ৩ জন আ*ট*ক

খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

গাইবান্ধার সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান: পাইপলাইন ধ্বংস।

আপডেটের সময়: ০৭:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

​অভিযানের বিবরণ
​সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রী রতন কুমার দত্তের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের মূল অভিযুক্ত হাসানুর রহমান ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘটনাস্থল থেকে বালু উত্তোলনের বিপুল পরিমাণ পাইপ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেন্সিডিল জব্দ

​স্থানীয়দের ভোগান্তি
​দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে আসছিলেন যে, ত্রিমোহনী এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং পরিবেশগত বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

​অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত জানান:
​”অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত রাখা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  জেলা পুলিশের মেগা অভিযানে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র ও মাদক।