পৈতৃক জমি বিক্রি কেন্দ্র করে হামলা লুটপাট ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা গ্রামের মাস্টার বিষ্ণু দত্তের বাড়ীতে হামলা, লুটপাট ও হত্যাচেষ্টা এবং জমি বিক্রয়কে কেন্দ্র করে ৪লক্ষ ৪৫হাজার টাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন গলা থেকে খুলে নেওয়ার
অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী বিষ্ণু দত্ত ও তার পরিবার।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষ্ণু দত্তের বিক্রয়কৃত জমির পাশে থাকা গাছের ডাল কেটে নিতে বলেন ক্রয়কৃত জমির মালিক সেলিম রেজা,যে কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিন রাত ৯টার দিকে সৎ চাচা ভোলা নাথ দত্ত, পাপ্পু দত্ত , জয়দত্ত , বাপ্পী দত্ত, হারান দত্ত, সাগর পাল, শিখা রানী দত্ত শিল্পী রানী দত্ত দেশীয় অস্ত্র, দা, লাঠি,শাবল নিয়ে বাড়ীতে অনাধিকার প্রবেশ করে এবং জমি বিক্রির অপরাধে বিষ্ণু দত্ত ও তার পরিবারের উপর হামলা লুটপাট সহ হত্যার চেষ্টা করেন।
এবিষয়ে বিষ্ণু দত্তের এসএসসি পরিক্ষার্থী ছেলে রাজেস বলেন,
আমি পরীক্ষার জন্য পড়ালেখা করছিলাম এবং আমার বাবা আমাকে সহযোগিতা করছিলেন এমন সময় ভোলানাথ দত্ত সহ অনেকে আমাদের বাড়ী আসে এবং আমাদের ঘরে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে এবং দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে আমাদের মারতে আসলে আমি ভয়ে বাড়ি থেকে ছুটে চলে যায়।
রিংকু রানী দত্ত বলেন, আমরা তাদের সাথে কথা বলার চেষ্ঠা করলে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং আমাকে বাশের লাঠি দিয়ে গুতা দেয় বুকে একপর্যায়ে আমার গলায় থাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন খুলে নেয়।
ভুক্তভোগী বিষ্ণু দত্ত জানান,আমি জমি বিক্রি করি সেলিম রেজার নিকট, সেই জমিতে সেলিম রেজা ঘর নির্মাণ করেন। ঘরের পাশে আমার সৎ চাচাদের শিশু গাছ রয়েছে যা সেলিম রেজার ঘরের পাশে।বর্তমান প্রতিদিন ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে যে কারণে গাছের ডাল বা গাছ ভেঙ্গে তার ঘরের উপর পড়বে এবং বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। তারফলে সেলিম রেজা আমার চাচতো ভাই কে ঘরের উপর থাকা গাছের ডাল কেটে নিতে বলেছে শুনেছি।
সেই অজুহাতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর এই হামলা করে এবং বাড়ীতে থাকা নগত ৪লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন খুলে নিয়ে যায়। এবং নিরুপায় হয়ে আমি বাড়ী থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায় এবং ৯৯৯ কল দিয়ে প্রশাসনের সাহায্য কামনা করি। এরপর তারা হুমকি দিয়ে যায় আমাকে ও আমার পরিবারের কাউকে বাচতে দিবে না। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এবিষয়ে মৃত্যু সমরনাথ দত্তের স্ত্রী শিল্পী রানী বলেন, আমারা তাদের বাড়িতে যায় কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করি একপর্যায়ে আমার ছেলে উত্তেজিত হয়ে ইটপাটকেল ছুঁড়ে। এসময় আমরা তাকে সেখান থেকে নিয়ে চলে আসি।তারা যে অভিযোগ করছে সেটা সঠিক নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এস আই হাফিজ বলেন আমরা ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনা স্থলে যায় এবং তাদেরকে উদ্ধার করি, আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনে আশ্বস্ত ও করেছি।
























