Dhaka ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি বিপাকে সিএনজিচালকরা

দিনাজপুরের হিলিতে সরকার নির্ধারিত নতুন মূল্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকার দাম বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে সেই দামে গ্যাস মিলছে না। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এলপিজি চালিত সিএনজিচালকরা।

 

গত ২ এপ্রিল সরকার প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করে, যা সেদিন সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে বাস্তবে হিলির খুচরা বাজারে কোম্পানিভেদে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকায়।

 

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ

ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা বেশি দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলেই খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে ভোক্তাদের অভিযোগ, হঠাৎ করে প্রায় ৪০০ টাকা মূল্যবৃদ্ধি তাদের জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে।

 

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সিএনজিচালকরা। গ্যাসের দাম বাড়লেও যাত্রীভাড়া অপরিবর্তিত থাকায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন। আগে যেখানে হিলি-বিরামপুর রুটে প্রতিদিন প্রায় ২৫টি সিএনজি চলাচল করত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১৫টিতে।

 

সিএনজিচালক আলতাফ হোসেন বলেন, যাত্রী সংখ্যা কম থাকার পাশাপাশি গ্যাসের অতিরিক্ত দামের কারণে আয়-রোজগার প্রায় বন্ধের পথে। আগে যে সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ টাকায়, ফলে প্রতি সিলিন্ডারে প্রায় ৪০০ টাকা বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

 

আরেক চালক খলিলুর রহমান জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশি দামে গ্যাস কিনে গাড়ি চালিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে প্রতি লিটার গ্যাস ৬২ টাকা থাকলেও এখন তা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভাড়া না বাড়ালে গাড়ি চালানো বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা শ্রমিক ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা রেজাউল ও মজনু বহিষ্কার

এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

 

সাধারণ মানুষ ও পরিবহন শ্রমিকদের আশা, দ্রুত এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমাধান হবে এবং সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্যথায় হিলি অঞ্চলের পরিবহন খাতে বড় ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃত্রিম সংকট রোধে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি বিপাকে সিএনজিচালকরা

আপডেটের সময়: ০৫:২৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরের হিলিতে সরকার নির্ধারিত নতুন মূল্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকার দাম বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে সেই দামে গ্যাস মিলছে না। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এলপিজি চালিত সিএনজিচালকরা।

 

গত ২ এপ্রিল সরকার প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করে, যা সেদিন সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে বাস্তবে হিলির খুচরা বাজারে কোম্পানিভেদে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকায়।

 

আরও পড়ুনঃ  সিসিটিভি ফুটেজে খুনিরা চিহ্নিত হলেও অধরা, মামলা হয়নি ২ দিনেও।

ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা বেশি দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলেই খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে ভোক্তাদের অভিযোগ, হঠাৎ করে প্রায় ৪০০ টাকা মূল্যবৃদ্ধি তাদের জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে।

 

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সিএনজিচালকরা। গ্যাসের দাম বাড়লেও যাত্রীভাড়া অপরিবর্তিত থাকায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন। আগে যেখানে হিলি-বিরামপুর রুটে প্রতিদিন প্রায় ২৫টি সিএনজি চলাচল করত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১৫টিতে।

 

সিএনজিচালক আলতাফ হোসেন বলেন, যাত্রী সংখ্যা কম থাকার পাশাপাশি গ্যাসের অতিরিক্ত দামের কারণে আয়-রোজগার প্রায় বন্ধের পথে। আগে যে সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ টাকায়, ফলে প্রতি সিলিন্ডারে প্রায় ৪০০ টাকা বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ

 

আরেক চালক খলিলুর রহমান জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশি দামে গ্যাস কিনে গাড়ি চালিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে প্রতি লিটার গ্যাস ৬২ টাকা থাকলেও এখন তা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভাড়া না বাড়ালে গাড়ি চালানো বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

আরও পড়ুনঃ  বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পাঁচ মাসের গল্প কথা।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

 

সাধারণ মানুষ ও পরিবহন শ্রমিকদের আশা, দ্রুত এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমাধান হবে এবং সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্যথায় হিলি অঞ্চলের পরিবহন খাতে বড় ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃত্রিম সংকট রোধে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।